আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক। আশা করি, আপনি অনেক ভালো আছেন। আবারো আপনাদের সামনে ধর্মীয় একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আজকে মূলত আপনাদের সামনে গোপনে যেনা করলে তিনটি বিপদ আসবেই এ সম্পর্কে আলোচনা করবো। তাই আপনি যদি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান। তাহলে আজকের আর্টিকেল শুধুমাত্র আপনার জন্য।
বর্তমান সময়ে নারী পুরুষ উভয়েই যেনার সাথে যুক্ত। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী চরম হারে যেনা ও ব্যভিচারে যুক্ত হচ্ছে। তবে তারা জানে না যেনা কত নিকৃষ্টতম পাপ। যেনা মূলত কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। তাই যে ব্যক্তি জেনা করবে সে কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
এছাড়াও মহান আল্লাহতালা যেনাকারী ব্যক্তিকে তিন ধরনের শাস্তি দেবেন। প্রত্যেকটা মুসলিম নর ও নারীর জন্য গোপনে যেনা করলে তিনটি বিপদ আসবেই সেটা জানা দরকার। চলুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেই।
গোপনে যেনা করলে তিনটি বিপদ আসবেই
জাহান্নামে প্রবেশ করার জন্য শুধুমাত্র একজন নারী বা পুরুষকে যেনাকারী হলেই চলবে। তাহলে আপনি ভাবুন যেনা কত বড় একটি পাপ। মহান আল্লাহতালা পবিত্র কুরআনে চেনা কতটা ভয়াবহ পাপ তা বর্ণনা করেছেন।
এছাড়াও রাসুল (স.) বিভিন্ন হাদিসের মাধ্যমে জেনার ভয়াবহতা সম্পর্কে আমাদের জানিয়েছেন। জেনাকারী ব্যক্তিকে শুধু পরকালের শাস্তি দেওয়া হবে তা না। মহান আল্লাহতালা দুনিয়াতেও এ সকল ব্যক্তিদের শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। গোপনে যেনা করলে তিনটি বিপদ আসবেই এটা ১০০% সত্যি। চলুন কি কি বিপদ হবে তা দেখে নেওয়া যাক।
১. যেনাকারী ব্যক্তি মহামারী রোগে আক্রান্ত হবেন।এ রোগ থেকে সে আরোগ্য লাভ করতে পারবে না। এছাড়াও মহামারীর যেকোন লোকে তারা মৃত্যুবরণ করবে।
২. যে ব্যক্তি যেনা করবে তার শরীরে আল্লাহ তায়ালা এমন একটি রোগ দিয়ে দিবেন যা তার বংশের মধ্যে কারো নেই বা হয়নি।
৩. যে ব্যক্তি যেনা করবে তার দারিদ্র দেখা দিবে। অর্থাৎ, জেনাকারী ব্যক্তির জীবনে অভাব অনটন দেখা দিবে। যেনাকারীর সর্বশেষ শাস্তি হচ্ছে অতি দারিদ্র্যতা।
শেষ কথা
গোপনে যেনা করলে তিনটি বিপদ আসবেই তা সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আপনার আশেপাশে হয়তো যে সকল ব্যক্তি যেনা কাজের সঙ্গে লিপ্ত তাদের অবশ্যই উপরের তিনটি বিপদ খুবই নিকটগ্রস্থ। তাই আমাদের উচিত মহান আল্লাহতালার কাছে ক্ষমা চেয়ে এই জঘন্যতম কাপ কাজ থেকে একদম দূরে সরে আসা। তাহলে আমরা ইহকাল ও পরকালের শান্তি ভোগ করতে পারবো।
.jpg)