কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি ২০২৩- কিস্তিতে গাড়ি
কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি: মানুষের জীবন যাত্রার মান যত বেশি উন্নত হচ্ছে, তাদের চাহিদা আরো বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দেশে একসময় গাড়ি বিলাসবহুল একটি পণ্য ছিল। আমরা শুধু মনে করতাম,দেশের ভালো অবস্থানে থাকা কিছু লোক গাড়ি কিনতে পারে। কিন্তু বর্তমানে মানুষের চাহিদা বৃদ্ধি পাবার জন্য, গাড়ি খুব সহজ পর্যায়ে এসে গেছে।
আপনি নিশ্চয়ই কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি ক্রয় করতে চাচ্ছেন। বর্তমানে আপনি নতুন গাড়ি থেকে শুরু করে পুরাতন গাড়ি কিস্তিতে ক্রয় করতে পারেন। কিন্তু আপনার কিস্তিতে গাড়ি কেনার জন্য আলাদা কিছু যোগ্যতা লাগবে। আসুন আজকে আমরা কিস্তিতে গাড়ি ও পুরাতন গাড়ি কেনার যোগ্যতা গুলো সম্পর্কে জেনে নেই।
কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি
বর্তমানে আপনি বাংলাদেশ থেকে সহজ কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি ক্রয় করতে পারেন। এজন্য আপনাকে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিতে হবে। আপনার যদি লোন পরিশোধ করার সামর্থ্য থাকে, তাহলে আপনি বাংলাদেশের যে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিতে পারবেন।
বর্তমান সময়ে আপনি বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংক থেকে কার লোন নিতে পারবেন। কার লোন নেওয়ার মাধ্যমে আপনি নতুন অথবা পুরাতন গাড়ি ক্রয় করতে পারেন। গাড়ি কেনার জন্য একটি ব্যাংক আপনাকে ৫০% ঋণ দিয়ে থাকবে। অর্থাৎ আপনি যদি ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে গাড়ি কেনেন, তাহলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনাকে ৫ লক্ষ টাকা ঋণ দেবে। কিন্তু কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি কেনার জন্য আপনাকে কিছু শর্ত মানতে হবে।
কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি কেনার যোগ্যতা
আপনি বাংলাদেশের যেকোন সরকারি বেসরকারি ব্যাংক থেকে গাড়ি কেনার জন্য লোন নিতে পারবেন। কিন্তু এজন্য আপনাকে সরকারি চাকরিজীবী, চিকিৎসক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, বেসরকারি চাকরিজীবী ও বাড়ির মালিক হতে হবে। আপনার কার লোনে প্রতি মাসে যে টাকা কিস্তি হবে, তার তিন গুন প্রতিমাসে আপনাকে আয় করতে হবে।
আপনার আয় যত বেশি হবে কার লোন পেতে আপনার তত সুবিধা হবে। পুরাতন গাড়ি কেনার জন্য লোন পাওয়া একটু কঠিন। কিন্তু আপনি যদি নতুন গাড়ি কেনার জন্য লোন নিতে চান, তাহলে খুব সহজেই পেয়ে যেতে পারেন। আপনি যদি চাকরিজীবী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার চাকরির বয়স ন্যূনতম দুই বছর থাকতে হবে।
কিস্তিতে গাড়ি কেনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
যে ব্যক্তি কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি ক্রয় করবে তার জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে। জাতীয় পরিচয় পত্র যদি না থাকে,পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। আবেদনকারী ব্যাংকের ছয় মাসের হিসাব। আবেদনকারী যদি ব্যবসায়ী হয়ে থাকে তাহলে ট্রেড লাইসেন্স।
আবেদনকারী যদি চাকরিজীবী হয় তাহলে স্যালারি সার্টিফিকেট। এছাড়াও পিতা-মাতার আইডি কার্ড ফটোকপি, বাড়ির কাগজপত্র ও বিদ্যুৎ মেলার ফটোকপি লাগবে। উপরোক্ত এই কয়েকটি কাগজপত্র নিয়ে আপনাকে ব্যাংকে যোগাযোগ করতে হবে।
কিস্তিতে গাড়ি কেনার নিয়ম
আপনি খুব সহজে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক থেকে কার লোন নিয়ে গাড়ি ক্রয় করতে পারেন। এজন্য আপনাকে ইসলামিক ব্যাংক এজেন্ট শাখায় যোগাযোগ করতে হবে। তারপর আপনার যদি কার লোন নেওয়ার যোগ্যতা থাকে। তাহলে ইসলামী ব্যাংক থেকে কার লোন নিতে পারবেন।
ইসলামী ব্যাংক থেকে কার লোন নিয়ে নতুন গাড়ি সহ রিকন্ডিশন গাড়ি কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনাকে এজন্য ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখায় সরাসরি আবেদন করতে হবে। আপনার আবেদন যদি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মঞ্জুর করে, তাহলে কিস্তিতে পুরাতন গাড়ি কেন আপনার জন্য খুব সহজ হবে।
.jpg)