কিস্তিতে মোটরসাইকেল বাজাজ ২০২৩-কিস্তিতে মোটরসাইকেল tvs
কিস্তিতে মোটরসাইকেল বাজাজ ২০২২– নতুন মোটরসাইকেল কেনার ইচ্ছা সবার রয়েছে। কিন্তু নতুন মোটরসাইকেল কেনার জন্য যে পরিমাণ টাকা লাগে, তা আমাদের অনেকের কাছে নেই। তাই বলে কি আমাদের স্বপ্নটা স্বপ্নই থেকে যাবে? না, আপনার স্বপ্ন বর্তমানে পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে আমাদের দেশের বেশিরভাগ কোম্পানি কিস্তিতে মোটরসাইকেল বিক্রি করছে। বাংলাদেশ থেকে আপনি বাজাজ,tvs রানার, হিরো হোন্ডা কিস্তিতে নিতে পারবেন। কিন্তু কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার জন্য আপনাকে কিছু কাগজপত্র অফিসের জমা দিতে হবে। এছাড়াও কিছু দিক নির্দেশনা মানতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক,কিস্তিতে মোটরসাইকেল বাজাজ ২০২২ ,কিস্তিতে মোটরসাইকেল tvs ও কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার নিয়ম।
কিস্তিতে মোটরসাইকেল বাজাজ ২০২৩
দেশের জনপ্রিয় মোটরসাইকেল ব্যান্ড এর মধ্যে বাজাজ অন্যতম। আমাদের দেশের সকল বাইকারদের প্রথম পছন্দের কোম্পানি বাজাজ। কারণ বাজাজ কোম্পানি দিচ্ছে সহজ কিস্তিতে মোটরসাইকেল। বর্তমানে আমাদের দেশে মোটরসাইকেলকে আরো সহজ লভ্য করে দিয়েছে কিস্তিতে বাজাজ মোটরসাইকেল।
আমাদের দেশে বাজাজ কোম্পানি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের অফার নিয়ে আসে। বর্তমানে বাজাজ কোম্পানি কিস্তিতে মোটরসাইকেল প্রদান করছে। কিন্তু কিস্তিতে মোটরসাইকেল বাজাজ কেনার জন্য আপনাকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হবে।
বর্তমানে প্রাইম ব্যাংক ও সিটির ব্যাংকের মাধ্যমে বাজাজ কোম্পানির গাড়ি ক্রয় করলে পাচ্ছেন ৮০% পর্যন্ত লোনের সুবিধা। এছাড়াও আপনি চাইলে ব্রাক ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাজাজ কোম্পানির মোটরসাইকেল ক্রয় করতে পারেন। সর্বনিম্ন ৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ মাসের মধ্যে আপনাকে এই কিস্তি পরিশোধ করতে হবে।
বাজাজ কোম্পানি থেকে কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার জন্য আপনারও নিকটস্থ বাজাজ শোরুমে যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়াও আপনি চাইলে অনলাইনে বাজাজ অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।
কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আপনি যখন কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে চাইবেন, তখন আপনাকে শোরুমে প্রয়োজনে কিছু ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে। কিন্তু কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার জন্য একেক কোম্পানির নিয়ম একেক রকম। তবে ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার জন্য সকল কোম্পানির নিয়ম একই রকম। কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিম্নরূপ:-
- আবেদনকারীরা জাতীয় পরিচয় পত্র/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স।
- নাম ও ঠিকানা প্রমাণ করার জন্য ডকুমেন্টও দলিল জমা দিতে হবে।
- ব্যাংকের ছয় মাসের হিসাবের নমুনা দিতে দিতে হবে।
- আবেদনকারী যদি চাকরিজীবী হয়, তাহলে বেতনের সার্টিফিকেট/স্লিপ জমা দিতে হবে।
- আবেদনকারী যদি ব্যবসায়ী হয় তাহলে ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স জমা দিতে হবে।
কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার সুবিধা
আমরা যারা বাইক চালাতে পছন্দ করি,তাদের স্বাদ থাকলেও মোটরসাইকেল কেনার সাধ্য নেই। কিন্তু বর্তমানে যেকোন কোম্পানির মোটরসাইকেল কিস্তিতে ক্রয় করতে পারেন। আপনি যখন কিস্তিতে মোটরসাইকেল ক্রয় করবেন তখন বিভিন্ন রকমের সুবিধা পাবেন। মোটরসাইকেল কেনার সময় এককালীন আপনাকে টাকা প্রদান করতে হবে না।
সর্বনিম্ন ৬ মাস ও সর্বোচ্চ ৩৬ মাসের মধ্যে আপনার কিস্তি শোধ করে দিতে হবে। আপনাকে নগদ অর্থ দিয়ে মোটরসাইকেল কিনতে হচ্ছে না। এরকম আরো অনেক সুবিধা রয়েছে।
কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনার অসুবিধা
আপনি যখন কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনবেন তখন বাজার থেকে বেশি টাকা দিতে হবে। অর্থাৎ আপনার কিস্তির উপরে এক্সট্রা ইন্টারেস্ট কোম্পানিকে দিতে হবে। মোটরসাইকেলের যদি কোন চুরি হয়ে যায় অথবা বাইকের কোন ক্ষতি হলে সেটা আপনাকে পূরণ করতে হবে। কিস্তিতে টাকা পরিশোধ না করলে আপনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিশেষে কিছু কথা
যখন নতুন একটি মোটরসাইকেল ক্রয় করতে যাবেন। তখন আপনার হাতে সর্বনিম্ন দেড় লাখ টাকা নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে দেড় লাখ টাকা যোগাড় করা অনেক কষ্টকর। এজন্য আপনি চাইলে কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে পারেন। আজকে আমরা কিস্তিতে মোটরসাইকেল বাজাজ সম্পর্কে আলোচনা করলাম।
কিস্তিতে আপনি শুধু বাজাদ কোম্পানির মোটরসাইকেল নয়, কিস্তিতে সুজুকি বাইক ও কিস্তিতে মোটরসাইকেল tvs ক্রয় করতে পারবেন। কিস্তিতে মোটরসাইকেল বাজাজ ২০২২ সম্পর্কে নতুন আপডেট পাওয়ার জন্য, বাজাজ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।
.jpg)
.jpg)